রেজি তথ্য

আজ: শনিবার, ১৮ই মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ ১০ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি

চট্টগ্রামে ঈদের পর ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড় থেকে অবৈধ স্থাপনা, বসতি উচ্ছেদ অভিযান

এম আর আমিন :

চট্টগ্রাম ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড় থেকে অবৈধ স্থাপনা, বসতি উচ্ছেদে অভিযান চালাবে প্রশাসন ঈদের পর পরই। এ জন্য রেলওয়েসহ সংশ্লিষ্টদের আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে দিতে হবে অবৈধ স্থাপনার তালিকা। পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির ২৩ তম সভায় সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. আশরাফ উদ্দিন এ কথা জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন,

বিভাগীয় কমিশনার বলেন, বর্ষা ঘনিয়ে এলেই চট্টগ্রামের পাহাড় নিয়ে একটা আতংক দেখা দেয়। পাহাড়ে অবৈধ স্থাপনা, বসতি সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টিও সামনে চলে আসে। আমরা একটা স্থায়ী সমাধান চাচ্ছি। এ জন্য সিডিএসহ সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা প্রয়োজন। বর্ষায় পাহাড়ে কারো যেন মৃত্যু হোক তাহা চাই না। সবার সহযোগিতা পেলে এ বছর আমরা পাহাড় থেকে ঝুঁকিপূর্ণ অবৈধ স্থাপনা ও বসতি সম্পূর্ণ উচ্ছেদ করতে সক্ষম হব। তিনি বলেন, বায়েজিদ ফৌজদারহাট লিংক রোড বর্ষার জন্য আতংকের। পাহাড় ধ্বসে মাটি রাস্তায় চলে আসে। রাস্তার পাশেই খাড়া হয়ে আছে পাহাড়। এ রোড দিয়ে সাধারণের চলাচল রয়েছে। সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এবং পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব নাজমুল আহসান জানান, সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরের পাহাড়ে অবৈধভাবে বসবাসকারীরা উচ্ছেদ ঠেকাতে উচ্চ আদালতে একটি রিট করেছে। আমরা ইতিমধ্যে জবাবও দিয়েছি। বর্তমানে বিষয়টি শুনানির পর্যায়ে রয়েছে।পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি বলেন, গত এক বছরে পাহাড় দখলকারীদের বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তর ৯৯ টি মামলা করেছে। এর মধ্যে ৯৭ টি মামলায় আদালতে চার্জশিট দেয়া হয়েছে। এছাড়া অনুমোদনের তুলনায় ৬৯ হাজার ২১৯ দশমিক ৭২০ ঘন ফুটের বেশি পাহাড় কাটার বিষয় প্রমাণিত হওয়ায় গত বছরের ২৯ জানুয়ারি সিডিএকে ১০ কোটির বেশি টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ১১ জুন নগরী ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় স্মরণকালের সবচেয়ে বেশি পাহাড় ধ্বসে, দেয়াল ভেঙে, পানিতে ডুবে এবং বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে ১২৭ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পরে পরিবেশ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় চট্টগ্রাম জেলায় ৩০টি ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড় চিহ্নিত করে জেলা প্রশাসন। ২০১৫ সালের ২ জুন পাহাড় মালিক, সংস্থার সাথে অনুষ্ঠিত সভার আলোকে ইস্পাহানি পাহাড় এবং জেমস ফিনলে পাহাড়ের নাম ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের তালিকা থেকে বাদ দিয়ে ২৮ টি ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের তালিকা করা হয়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. মমিনুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এবং পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব মো. নাজমুল আহসান, রেলওয়ে, সিটি করপারেশন, ফায়ার সার্ভিস, পিডিবিসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিরা।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on pinterest
Pinterest
Share on reddit
Reddit

Discussion about this post

এই সম্পর্কীত আরও সংবাদ পড়ুন

আজকের সর্বশেষ

ফেসবুকে আমরা

সংবাদ আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১