রেজি তথ্য

আজ: শুক্রবার, ১২ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ২৮শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ ৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

বায়েজিদ লিংক রোডটি দীর্ঘ ছয় কিলোমিটার অন্ধকার বেড়েছে ছিনতাই- ঘটছে অপ্রীতিকর ঘটনা

এম আর আমিন :

চট্টগ্রাম বায়েজিদ লিংক রোড দুইপাশে পাহাড়, তার মাঝে ছয় কিলোমিটার পাহাড় ঘেরা এই সড়কটি অন্ধকার। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন মাস্টারপ্ল্যান অনুসরণে চট্টগ্রামকে একটি পরিকল্পিত নগরীতে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সুপরিকল্পিত প্রাইমারি ডিস্ট্রিবিউশন রোড নেটওয়ার্কের অংশ হিসাবে প্রায় ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কের নির্মাণ কাজ হাতে নেওয়া হয় এ বাইপাস সড়ক যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় জেলাগুলোর দূর-পাল্লার যানবাহন চট্টগ্রাম শহরের ভেতরে প্রবেশ না করে সহজভাবে চলাচল করতে পারবে। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে এ সড়কটি চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয় নির্মাণ সংস্থা চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। প্রতিদিন পাহাড় ঘেরা এই সড়কটি হয়ে উঠে নগরবাসীর বিনোদনের খোরাক। তবে সূর্য নামতেই তৈরি হয় রীতিমতো ভীতিকর পরিবেশ তৈরি হয়।এই সড়কটিতে এখনো বাতি লাগাতে পারেনি নির্মাণ সংস্থা। সড়ক বাতি না থাকায় নির্জন ও অন্ধকার পরিবেশের সুযোগ নিয়ে বেড়েছে ছিনতাই ডাকাতিও ঘটেছে খুনের ঘটনা । এছাড়াও নানা অপ্রীতিকর ঘটনা। এই সড়কের রাত হলে এ ভয়াবহ অবস্থা বাতি না থাকায় কিছুই দেখা যায় না। অপরাধীরা সবসময় নিজেদের আড়াল করতে অন্ধকার জায়গাটাকে বেছে নেয়।সড়কে যদি বাতির ব্যবস্থা করা হয় তাহলে লিংক রোডে অপরাধ অনেক কমবে যাবে মনে করেন সাধারণ জনগণ।ফৌজদারহাট থেকে বায়েজিদ পর্যন্ত বিস্তৃত এই সড়কের নির্মাণ প্রকল্প হাতে নেয়া হয় ১৯৯৭ সালে। ১৯৯৯ সালে একনেকে প্রকল্পটি পাশ হয়। তখন এর নির্মাণ ব্যয় ছিল ৩৩ কোটি ৮১ লক্ষ টাকা। ২০০৪ সালে ৫৫ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। সড়কটির কাজ শুরু হয় ফৌজদারহাট থেকে। পরে এই রাস্তাটির নতুন করে প্রকল্পের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় ২১০ কোটি টাকা। ২০১৫ সালে স্পেকট্রা ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডকে সড়কটি নির্মাণের আদেশ দেয়া হয়। পরবর্তীতে খরচ কমিয়ে তা ১৭২ কোটি টাকায় করা হয়। পরে ৬ কিলোমিটার এ সড়ক নিমার্ণের খরচ ৩২০ কোটি টাকায় গিয়ে থামে। এ সড়কে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা অপরাধ নিয়ন্ত্রণে দ্রুত বাতি লাগানোর তাগিদ দিচ্ছে সিএমপি।এ বিষয়ে জানতে চাইলে, সিডিএ’র প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস বলেন, এসড়কটি দুটি কারণে বাতির কাজটি হয়নি। প্রকল্পের ব্যয় বাড়ায় আনুষাঙ্গিক সব কাজ থেমে আছে। আমরা অর্থ মন্ত্রণালয়ে জানিয়েছি। তাছাড়া এটা জিওবি প্রজেক্ট। তবে অর্থ মন্ত্রণালয় সিডিএ থেকে করার কথা বলছে। কিন্তু সিডিএ’র কোনো ফান্ড নাই। দ্বিতীয়ত, পরিবেশের মামলার কারণে থেমে থাকা বাকি কাজ করতে পারছি না

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on pinterest
Pinterest
Share on reddit
Reddit

Discussion about this post

এই সম্পর্কীত আরও সংবাদ পড়ুন

আজকের সর্বশেষ

ফেসবুকে আমরা

সংবাদ আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১