রেজি তথ্য

আজ: মঙ্গলবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ ১০ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

পেশীশক্তির জোরে নির্বাচনে জয়ী হওয়া যাবে না- ইসি আলমগীর

ঢাকা ব্যুরো:

পেশী শক্তির ব্যবহার করে নির্বাচনে বিজয়ী হওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আলমগীর। মঙ্গলবার (৩১ মে) রাজধানীর আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। ইসি আলমগীর বলেন, পেশিশক্তি ব্যবহার করে কেউ যদি নির্বাচিত হবার স্বপ্নে দেখে, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে না। নির্বাচনী দায়িত্বপালনে যদি প্রশাসনের কারও অবহেলা পাওয়া যায়, তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে যদি অন্য প্রার্থীকে বাধা দেওয়ার অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে তার প্রার্থীতা বাতিল করা হবে।ভোটের প্রচারে বাধাপ্রাপ্ত হওয়ায় ইসি ভবনের সামনে হাতে বিষ আর কাফনের কাপড় জড়িয়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ২৭ পদপ্রার্থীর অবস্থান প্রসঙ্গে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, এটা আপনাদের (সাংবাদিকদের) কাছে প্রথম শুনলাম। কর্মকর্তাও বললেন। আমরা তাদের বলেছি, উনাদের যদি কেউ থাকে তাহলে তাকে আমার কাছে নিয়ে আসেন।নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেন, বাধা দিয়ে কোনো লাভ হবে না। যেকোনো উৎস থেকে যদি তথ্য পাই, যে প্রার্থীদের বাধা দেওয়া হয়েছে, ভোটারকে বাধা দেওয়া হয়েছে অথবা নমিনেশন পেপার সাবমিট করতে দেওয়া হয়নি, তাহলে প্রথম আমরা যেটা করি শিডিউলটাকে (নির্বাচনের তফসিল) আমরা স্থগিত করে দেই। এতে অন্য প্রার্থীরা নমিনেশন জমা দিতে পারে। যদি এমন হয়, ওইখানে প্রার্থী নিরাপদ নয় তাহলে পাশ্ববর্তী জেলা বা উপজেলায় তাদের নমিনেশন সাবমিট করার সুযোগ দেই।তিনি আরও বলেন, প্রার্থী, ভোটারদের নিরাপত্তা এবং তাদের প্রচারের সুযোগ করে দেওয়া, এইগুলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব। দায়িত্ব পালনে কারও অবহেলা পেলে তার বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নেব।ইসির সামনে অবস্থান নেওয়া প্রার্থীদের দাবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সার্কেল এসপিকে প্রত্যাহার করা। এ বিষয়ে মো. আলমগীর বলেন, প্রত্যাহার তো সমাধান না। এখানে কার দায়িত্বহীনতা আছে সেটা আমরা দেখবো। একটা জিনিস বুঝতে হবে, প্রশাসনে যারা থাকে তাদের সংখ্যা খুবই অল্প। এটা যদি প্রশাসনের নাকের ডগায় হয় তাহলে এক জিনিস, আর যদি হয় দূরে, সেটা আরেক জিনিস। কারণ প্রশাসনতো সবার বাড়ি বাড়ি থাকতে পারবে না। যদি দেখা যায় ঘটনা অনেক দূরে হয়েছে, প্রশাসনে বাইরে বা সম্মুখে না, অথবা এমন একটা সময় ঘটনা হয়েছে, যেখানে প্রশাসন দূরে ছিল। তখন তো আর প্রশাসনের করার কিছুই থাকছেনা। সামনে কিছু ঘটলেও প্রশাসন সেখানে যদি নিশ্চুপ থাকে তাহলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।তিনি আরও বলেন, ভোটে কেউ বাধা দিলে দেশের প্রচলিত আইনে মামলা হবে। আপনারা দেখবেন প্রশাসন তার বিরুদ্ধে মামলা নিয়েছে কি-না। কেউ যদি পেশিশক্তি প্রয়োগ করে তাহলে ইসি তার ক্ষমতাবলে মামলা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া ও ভোট বাতিল করে দেওয়া বা প্রার্থীর (অভিযুক্ত) প্রার্থীতা বাতিল করতে পারে।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on pinterest
Pinterest
Share on reddit
Reddit

Discussion about this post

এই সম্পর্কীত আরও সংবাদ পড়ুন

আজকের সর্বশেষ

ফেসবুকে আমরা

সংবাদ আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১