রেজি তথ্য

আজ: মঙ্গলবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ ১০ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

সেপ্টেম্বরে পুঁজিবাজারে চালু হবে ইটিএফ

ঢাকা ব্যুরো:

দেশের পুঁজিবাজারে আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ড (এটিবি) ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মতো আরেক পণ্য এক্সচেঞ্জ-ট্রেডেড ফান্ড (ইটিএফ) চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক আমিন ভূঁইয়া। তবে এই ইটিএফ থেকে নির্দিষ্ট সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, চাইলেই যেকোনো সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করা যাবে না।
ঢাকা স্টক এক্সেচেঞ্জে এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড (ইটিএফ) ও অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ড (এটিবি) চালুর ব্যাপারে ৩০মে ( সোমবার) এক সংবাদ সম্মেলনে তারিক আমিন ভূঁইয়া এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন ডিএসই’র প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) সাইফুর রহমান মজুমদার, এফসিএ, এফসিএমএ ও প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা মোঃ জিয়াউল করিম, ডিএসই’র পিআর এন্ড পাবলিকেশন ডিপার্টমেন্টের প্রধান ও উপ-মহাব্যবস্থাপক মোঃ শফিকুর রহমান, প্রোডাক্ট এন্ড মার্কেট ডেভেলোপমেন্ট ডিপার্টমেন্টের প্রধান সাঈদ মাহমুদ জুবায়ের ও সিনিয়র ম্যানেজার সৈয়দ ফয়সাল আব্দুল্লাহ প্রমুখ।তারিক আমিন ভূঁইয়া বলেন, ইটিএফ অনেকটা মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মতোই একটা পণ্য, যা অ্যাসেট ম্যানেজার দ্বারা পরিচালিত হবে এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মতোই ট্রাস্টি থাকবে। এছাড়া ইটিএফ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হবে এবং লভ্যাংশ দেবে। এই ইটিএফ থেকে নির্দিষ্ট সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করতে হবে। চাইলেই যেকোনো সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করা যাবে না। তিনি বলেন, শুরুতে ৫০ কোটি টাকা দিয়ে ডিএসই-৩০ সূচকের কোম্পানিগুলো নিয়ে ইটিএফের যাত্রা শুরু করা হবে। এই ৫০ কোটি টাকা অনেকটা মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মতোই সংগ্রহ করা হবে এবং তা দিয়ে অ্যাসেট ম্যানেজার শুধুমাত্র ডিএসই-৩০ সূচকের কোম্পানিতেই বিনিয়োগ করতে পারবে। এমনকি ওই ৩০ সূচকের প্রতিটি কোম্পানিতে ওয়েটেড অ্যাভারেজ ভিত্তিতে বিনিয়োগ করা হবে। এ বিষয়ে ডিএসইর এমডি আরো বলেন, ৫০ কোটি টাকার ইটিএফ গঠনের জন্য উদ্যোক্তা ১০ শতাংশ হারে ৫ কোটি টাকা এবং অ্যাসেট ম্যানেজার ২ শতাংশ হারে ১ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে। বাকি ৪৪ কোটি টাকা শেয়ারবাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে বা প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে।
মিউচ্যুয়াল ফান্ড থেকে ইটিএফ অনেক নিরাপদ উল্লেখ করে ডিএসইর এমডি বলেন, ইটিএফ কখনো ধ্বংস হয় না। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, প্রথম ইটিএফ গঠন হবে ডিএসই-৩০ সূচকের কোম্পানিগুলো নিয়ে। এখন ওই কোম্পানিগুলোর মধ্যে যদি কোনো একটি ডিএসই-৩০ সূচক থেকে বের হয়ে যায়, তাহলে ইটিএফের অ্যাসেট ম্যানেজার সেই কোম্পানির সিকিউরিটিজ বিক্রি করে দেবে এবং ৩০ সূচকে নতুন যে কোম্পানি আসবে, সেই কোম্পানির সিকিউরিটিজ কিনে নেবে। তিনি বলেন, এরইমধ্যে লংকাবাংলা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট, শান্তা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট ও গ্রীন ডেল্টা ড্রাগন ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি ইটিএফ গঠনে উদ্যোক্তা হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। ইটিএফ বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে জানান ডিএসইর এমডি। তিনি বলেন, শুরুতে ডিএসই-৩০ সূচকের কোম্পানিগুলো নিয়ে ইটিএফ গঠন করা হলেও পরবর্তীতে শরীয়াহভিত্তিক সূচকের কোম্পানি, ফার্মাসিউটিক্যালস বা অন্য কোনো খাতের কোম্পানি নিয়ে ইটিএফ গঠন করা হতে পারে। তারিক আমিন ভূঁইয়া বলেন, ওভার দ্য কাউন্টার মার্কেটের (ওটিসি) কোম্পানিগুলো এটিবিতে লেনদেন হবে। এছাড়া অতালিকাভুক্ত মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও প্রাইভেট প্লেসমেন্ট লেনদেন হবে। অনুষ্ঠানে ডিএসইর সিওও সাইফুর রহমান মজুমদার বলেন, আমাদের এখানে বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ইটিএফ পরিচালনা করা হবে। এই ইটিএফ চালুর মধ্য দিয়ে দেশের মিউুচ্যয়াল ফান্ড খাতের উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

 

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on pinterest
Pinterest
Share on reddit
Reddit

Discussion about this post

এই সম্পর্কীত আরও সংবাদ পড়ুন

আজকের সর্বশেষ

ফেসবুকে আমরা

সংবাদ আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১