রেজি তথ্য

আজ: মঙ্গলবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ ১০ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

অবিলম্বে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর খুলে দিন- ডা.শাহাদাত

ইসমাইল ইমন:

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের মাঠি থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন, এই চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে তিনি শহীদ হয়েছেন। শহীদ জিয়ার রক্ত মিশে আছে সার্কিট হাউসের জিয়া জাদুঘরের দেওয়ালে। তাই জিয়াউর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত সব স্থাপনা ও জিয়া জাদুঘর যুগ যুগ ধরে এই চট্টগ্রামেই আছে, এখানেই থাকবে। জিয়া জাদুঘর নিয়ে কোন ষড়যন্ত্র চট্টগ্রামবাসী মেনে নেবে না। অবিলম্বে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর সর্বসাধারণের পরিদর্শনের জন্য খুলে দিতে হবে। বুধবার (২২ জুন) বিকালে কাজীর দেউরীস্থ জিয়া স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনকালে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, মেজর জিয়া ছিলেন রনাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক সেনাপ্রধান এবং বাংলাদেশের একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক। জেড ফোর্সের অধিনায়ক ও একজন সেক্টর কমান্ডার হিসাবে তিনি মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেছেন আবার সন্মুখ সমরে যুদ্ধ করেছেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য স্বাধীনতা পরবর্তী সরকার তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করেছে। অনেকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস না জেনে জিয়া জাদুঘর নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। কিন্তু শহীদ জিয়াকে বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাস রচনা করা সম্ভব নয়।তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন শহীদ জিয়া। কিন্তু দেশী বিদেশী চক্রান্তকারীরা তিনি সেই লক্ষ্যে যাতে যেতে না পারে, সেজন্য তাকে হত্যা করেছে। জিয়া জাদুঘরে আসলে বোঝা যায় তিনি সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। এখানে কোন জায়গায় তাঁর বুলেট লেগেছে, সেটি জিয়া জাদুঘরে আসলে প্রশ্নগুলোর উত্তর পাওয়া যায়। তিনি সার্কের স্বপ্নদৃষ্টা ছিলেন। সেটির প্রমাণও জিয়া জাদুঘরে পাওয়া যায়। এটি ইতিহাস। আওয়ামী লীগ যেটি করছে সেটি মিথ্যা ইতিহাস।

জিয়াউর রহমান একজন সৎ রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন উল্লেখ করে ডা. শাহাদাত বলেন, জিয়াউর রহমান নিজের কাজ নিজে করতেন। ওনি যে কাপড় পরতেন তাও হাতে গোনা। তিনি নেতা এবং রাজনীতিবিদ ছিলেন। লিডারশিপের জন্য যা যা দরকার তা সবকিছু ছিল তার মধ্যে। সরকার মেগা প্রজক্টের নামে মেগা দুর্নীতি করছে উল্লেখ করে ডা. শাহাদাত বলেন, পদ্মাসেতু নিয়ে রমরমা কথা শুনছি। পদ্মাসেতুর ৮ হাজার কোটি টাকা আজকে ৫১ হাজার কোটি টাকা হয়ে গেছে। দুর্নীতি যে সয়লাব হয়ে গেছে তা এই সরকার ছাড়া আর কোনো আমলে হয়নি।তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান গণতন্ত উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন। কৃষিক্ষেত্রে খাল খনন কর্মসূচি ছিল সর্বক্ষেত্রে প্রশংসিত। শহীদ জিয়ার জনপ্রিয়তা কেমন ছিল, তা বোঝা যায় তাঁর জানাজায় মানুষের অংশগ্রহণ। দক্ষিণ এশিয়ায় এখন পর্যন্ত এত বড় জানাজা হয়নি। এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য গাজী মো. সিরাজ উল্লাহ, মহানগর বিএনপি নেতা শামসুল আলম, জি এম আইয়ুব খান, মো. আলী, কোতোয়ালি থানা বিএনপির সভাপতি মনজুর রহমান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ জাকির হোসেন, বায়েজিদ থানা বিএনপির সাধারন সম্পাদক আবদুল কাদের জসিম, নগর বিএনপি নেতা মো. ইদ্রিস আলী, রণজিৎ বড়ূয়া, ওয়ার্ড় বিএনপির সভাপতি আকতার খান, হাজী মো. ইলিয়াছ, সাধারন সম্পাদক এস এম আবুল কালাম আবু, সাদেকুর রহমান রিপন, মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, মহানগর যুবদলের সহ সভাপতি সাহাবুদ্দীন হাসান বাবু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, আসাদুর রহমান টিপু, ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক আরিফুর রহমান মিটু প্রমুখ।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on pinterest
Pinterest
Share on reddit
Reddit

Discussion about this post

এই সম্পর্কীত আরও সংবাদ পড়ুন

আজকের সর্বশেষ

ফেসবুকে আমরা

সংবাদ আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১