রেজি তথ্য

আজ: মঙ্গলবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ ১০ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

৫ কোটি ৩৭ লাখ টাকার বিল জালিয়াতি: চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের ৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ

রিয়াজুর রহমান রিয়াজ:

চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের বিল জালিয়াতির মামলায় বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) দুপুরে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সমন্বিত কার্যালয় চট্টগ্রামে এই অভিযোগ দেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদক চট্টগ্রামের উপ পরিচালক নাজমুছ সাদাত। তিনি বলেন, এক কর্মকর্তাকে নিয়ে জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক দুদক কার্যালয়ে এসে একটি অভিযোগ দিয়েছেন। আমরা অভিযোগটি গ্রহণ করেছি। এতে হাসপাতালের এক কর্মকর্তা সহ ৪ জনের নাম উল্লেখ রয়েছে। তিনি বলেন, অভিযোগটি আমরা ঢাকায় প্রধান কার্যালয়ে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছি। সেখানে থেকে যে নির্দেশনা দেওয়া হবে সে অনুযায়ী কাজ করবো। হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়ক সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। এ ঘটনার সত্যতা উদ্ঘাটন হওয়া দরকার। দুদকে একটি অভিযোগ করা হয়েছে। এসময় ৪ জনের নাম উল্লেখ না করলেও হাসপাতালের হিসাবরক্ষক ফোরকান ও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের ৩ জনের নাম রয়েছে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি। এদিকে, জালিয়াতির ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়। এতে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ডা. মো. সাখাওয়াত উল্ল্যাহকে সভাপতি ও সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. সুমন বড়ুয়াকে কমিটির সদস্য সচিব করা হয়েছে। এছাড়া কমিটিতে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরীকে। কমিটি গঠনের বিষয়ে চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীর বলেন, একটি তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত, ২০২১-২২ অর্থবছরে সংশোধিত বাজেটে চিকিৎসা যন্ত্রপাতি খাতে বরাদ্দকৃত অর্থ হতে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের ২০১৩-১৪ অর্থবছরের মেসার্স আহমেদ এন্টারপ্রাইজ কর্তৃক সরবরাহকৃত ৮টি আইসিইউ বেড, ৮টি ভেন্টিলেটর ও ১টি কার্ডিয়াক পেশেন্ট মনিটরের বকেয়া বিল বাবদ ৫ কোটি ৩৭ লাখ ২৫ হাজার টাকার ব্যয় মঞ্জুরি আদেশ জালিয়াতির মাধ্যমে ছাড়করণের চেষ্টা হয়।মঙ্গলবার জেনারেল হাসপাতালের হিসাবরক্ষক মো. ফোরকান এ বিল ছাড় করার চেষ্টা চালান। বিষয়টি ধরা পড়ায় বিভাগীয় হিসাব নিয়ন্ত্রক কার্যালয় থেকে মো. ফোরকানকে পাঁচলাইশ থানা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পরে তাকে জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।উল্লেখ্য, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে মেসার্স আহমেদ এন্টারপ্রাইজ কর্তৃক সরবরাহকৃত ৮টি আইসিইউ বেড, ৮টি ভেন্টিলেটর ও ১টি কার্ডিয়াক পেশেন্ট মনিটর কেনাকাটা নিয়ে দুদকে আগে থেকেই মামলা চলমান রয়েছে। মামলা থাকায় এর বিলও আটকে গেছে।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on pinterest
Pinterest
Share on reddit
Reddit

Discussion about this post

এই সম্পর্কীত আরও সংবাদ পড়ুন

আজকের সর্বশেষ

ফেসবুকে আমরা

সংবাদ আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১