রেজি তথ্য

আজ: সোমবার, ২২শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ৭ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ ১৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শোকদিবস স্মরণে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর আলোচনা সভা

চবি প্রতিনিধি :

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস স্মরণে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ আয়োজন করেছে বিশেষ আলোচনা সভা। ‘বাহাত্তরের সংবিধান ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ’ শিরোনামে রবিবার (১৪ আগষ্ট) সকালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরী মিলনায়তনে আলোচনা করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার, অধ্যাপক ড. মুনতাসীর মামুন।
তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিলো একটি অসাম্প্রদায়িক ও সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষের সম্প্রীতির বাংলাদেশ। তিনি চেয়েছিলেন, এমন এক বাংলাদেশ, যেখানে শোষণ ও বৈষ্যম্য থাকবে না। বাঙালির আত্মপরিচয় হবে ভাষা ও সংস্কৃতিকে ঘিরে। সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে অবিচল একটি রাস্ট্র কাঠামো হবে । তাঁর এই স্বপ্নকে নস্যাৎ করতেই আন্তর্জাতিক মদতে দেশীয় ষড়যন্ত্রকারীদের মাধ্যমে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে তাঁকে। শুধু তাই নয়, পরিবারের সকল সদস্যকেও হত্যা করা হয়েছিলো। এর পর থেকে শুরু হয় সংবিধানের মূলনীতির উপর আক্রমণ। জারি হয় একের পর এক কালাকানুন। তিনি আরোও বলেন, বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করতে হলে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নকে লালন করতে হবে নতুন প্রজন্মকে। তাঁর সাহস ও স্বপ্নকে লালন করতে ব্যর্থ হলে দেশ সঠিক পথে অগ্রসর হতে পারবে না।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর বেনু কুমার দে বলেন, বঙ্গবন্ধু শুধু আমাদের জাতির পিতা হিসেবে আর সিমাবদ্ধ নেই। তিনি বিশ্বনেতা। তাঁর মত নেতা আর সহস্র বছরেও জন্ম নেবে না।
সভায় সভাপতিত্ব করবেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও উদীচীর সহ-সভাপতি জি এইচ হাবীব।
উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর অন্যতম জনপ্রিয় ও দর্শকনন্দিত প্রযোজনা “ইতিহাস কথা কও”। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করার পর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গণে যখন ভয়াবহ আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়, যখন কেউ রাস্তায় নামার সাহস পাচ্ছিলো না, ঠিক সেই সময় উদীচী তার দায়িত্ববোধ থেকে বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে পথে নামে। আর এ প্রতিবাদের অন্যতম হাতিয়ার ছিল “ইতিহাস কথা কও”। উদীচী বাংলাদেশের বৃহত্তম সাংস্কৃতিক সংগঠন। ১৯৬৮ সালে বিপ্লবী কথাশিল্পী সত্যেন সেন, রণেশ দাশগুপ্ত, সহ একঝাঁক তরুণ উদীচী গঠন করেন। জন্মলগ্ন থেকে উদীচী অধিকার, স্বাধীনতা ও সাম্যের সমাজ নির্মাণের সংগ্রাম করে আসছে। উদীচী ’৬৮, ’৬৯, ’৭০, ’৭১, সালে বাঙালির সার্বিক মুক্তির চেতনাকে ধারণ করে গড়ে তোলে সাংস্কৃতিক সংগ্রাম। এ সংগ্রাম গ্রাম-বাংলার পথে-ঘাটে ছড়িয়ে পড়ে। ১৯৭১ সালে উদীচীর কর্মীরা প্রত্যক্ষভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়। ২০১৩ সালে এই সংঠনটি দেশের সর্বোচ্চ সম্মাননা একুশে পদক লাভ করে।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on pinterest
Pinterest
Share on reddit
Reddit

Discussion about this post

এই সম্পর্কীত আরও সংবাদ পড়ুন

আজকের সর্বশেষ

ফেসবুকে আমরা

সংবাদ আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১