রেজি তথ্য

আজ: মঙ্গলবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ ১০ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

বাংলাদেশকে আজকে শ্মশানে রুপান্তর করেছে- মির্জা ফখরুল

ডেক্স নিউজ

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন দেশকে স্বৈরাচার মুক্ত করবার জন্য,গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করবার আন্দোলন চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশের মাধ্যমে পলোগ্রাউন্ড ময়দান থেকে শুরু হয়েছে।

গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ভোলা-নারায়নগঞ্জসহ পুলিশের গুলিতে নিহত শহীদদের প্রেরণা নিয়ে আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি।এই লড়াইয়ে আমাদের জিততে হবে।এই সরকার অবৈধ সরকার তারা ভোটের আগের রাতে ঝালভোটে বিজয়ী সরকার।তিনি বলেন বাংলাদেশকে আজকে শ্মশানে রুপান্তর করেছে।দ্রব্যমূল্য নিয়ে তিনি বলেন কতটাকার চাল খাওয়াবে বলে ক্ষমতায় এসেছেন এখন চালের দাম কত,ডালের দাম কত?নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম কোনটার দাম বাড়েনি।বারবার বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির পরে আবার নাকি বিদ্যুতের দাম বাড়াবে।গুম-খুনের শাস্তি হিসেবে র্যাবকে আমেরিকা সেনশন দিয়েছে।আমি বলি র্যাবকে নয় সরকারকে স্যানশন দিয়েছে।বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ইডি বলেছেন বাংলাদেশে কোন মানবাধিকার নেই।৩বারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিকভাবে সাজা দেওয়া হয়েছে।
আওয়ামীলীগের নির্বাচন দেশের মানুষ মানবেনা।ডিসি-এসপিরা মানেনা নির্বাচন কমিশনকে।
আজকে দেশের গণমাধ্যমের মালিকেরা আজ বিক্রি হয়ে গেছে।দেশের মানুষকে এই ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটাতে সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।
সমাবেশের সভাপতি চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা.শাহাদাত হোসেন বলেন,আওয়ামীলীগ যে ময়দানে সমাবেশ করতে ভয় পায় সেই চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড মাঠে বিএনপি বারবার মহাসমাবেশ করেছে।
আওয়ামীলীগের দুজন মন্ত্রীর বক্তব্যর কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন এ দুজনের বক্তব্যের পরে আওয়ামীলীগের আর নেতৃত্ব কর্তৃত্ব নেই ৬৪ জেলার ডিসি এসপি আমলারাই বর্তমান সরকার চালাচ্ছে।উপস্থিত চট্টগ্রাম বিভাগীয় সকল জেলা-উপজেলার, থানা,ওয়ার্ড ইউনিটের সর্বস্তরের নেতাকর্মী,গণমাধ্যমকর্মীদের ধন্যবাদ জানান।
স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন আপনারা আমাদের নেতাকর্মীদের বিভিন্ন ভাবে বাধা দিয়ে মানসিকভাবে হয়রানি করতে চেয়েছেন।আপনারা এসে দেখে যান সমাবেশ সফল হয়েছে।
আপনারা নানান রকমের মামলা-মোকাদ্দমা দিয়ে নেতাকর্মীদের দুর্বল করতে চেয়েছেন পারেননি।সারাদেশে ৩৭ লক্ষ মামলা বিএনপি নেতাকর্মীদের দিয়েছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা দুর্বল হয়নি।
আওয়ামীলীগকে বলতে চাই শ্রীলঙ্কার দিকে তাকান দুর্নীতির কারণে সেখানে দুর্নীতিবাজ এমপি মন্ত্রীদের কোন দশা হয়েছে।অতি উৎসাহী প্রশাসনের কর্মকর্তাদের তালিকা করার জন্য তিনি নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন।সরকারের দুর্নীতির কারণে লোডশেডিং, দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতি।দেশের গণতন্ত্রকে ক্ষতি করেছে আওয়ামীলীগ বারবার।বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাকশাল থেকে দেশের গণতন্ত্রকে রক্ষা করেছেন,স্বৈরাচার এরশাদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করেছেন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া।তাই আজ দলের দুর্দিনে বেগম জিয়ার নেতৃত্বে দেশকে ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে বেগম জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে।
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন,বাংলাদেশ ভাষনে স্বাধীন হয়নি।দেশকে শেখ হাসিনার হাত থেকে রক্ষা করতে আরেকটা যুদ্ধ করতে হবে।বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের গায়ে হামলা হয়েছে। এই সমাবেশে আসার সময় পুলিশ শর্ত দিয়েছে লাঠি নিয়ে সমাবেশে আসা যাবেনা,আমি পুলিশকে প্রশ্ন করি আপনাদের এই অধিকার কে দিয়েছে।পুলিশকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন লাঠিছাড়া আসব আপনারা বন্দুক ব্যারাকে রেখে আসেন।আমাদের ছেলেরা লাঠি নিয়ে আসেন আত্মরক্ষার জন্য কাউকে হামলা করার জন্য না।২০২৩ সালে খাদ্য দিতে পারবেননা ক্ষমতায় থাকবেন কেন?বিদ্যুৎ দিতে পারবেনন ক্ষমতায় কেন?অভাব কারণ হাজার কোটি টাকা পাচর।শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী না তিনি লুটেরাদের প্রধানমন্ত্রী, দুর্নীতিবাজদের প্রধানমন্ত্রী, পাচারকারীদের প্রধানমন্ত্রী।
দাবী ১ পদত্যাগ,দাবী ২ সংসদ বাতিল,দাবী ৩ নির্বাচন কমিশন পদত্যাগ, দাবী ৪, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সমাবেশের প্রধান বক্তা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী,উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্য তিনি বলেন শেখ হাসিনার বিদায়ের ঘন্টা চট্টগ্রাম থেকে বেজে গেছে,একটাই বার্তা আজকের সমাবেশ থেকে আগামীকাল নয় পরশু নয় এখনই এই অবৈধ ফ্যসিস্ট সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে।বিএনপির নেতাকর্মীরা জ্বলে পুড়ে খাটি সোনায় পরিনত হয়েছে,জনগন তাদের অধিকার প্রয়োগ করে সরকার নির্বাচিত করবে, যেই সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহিতে বাধ্য থাকবে,সমাবেশকে কেন্দ্র করে রাতে কিছু পুলিশ নেতাকর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে হামলা করেছে,অনেককে গ্রেফতার করেছে,সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে সমাবেশ বানচালের চক্রান্ত করেছে।নির্বাচন নিয়ে বিদেশিরা শেখ হাসিনাকে প্রশ্ন করে নির্বাচনকি সুষ্ঠু হবে?কোন দল এই ভোটচোরের সাথে পাতানো নির্বাচনে যাবেনা যেতে পারবেনা,সবাই আজ রাজপথে নেমেছে বাংলাদেশে গনতন্ত্র, ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে ঘরে ফিরব।
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন,জনগণের অধিকার হরণ করে এই অবৈধ সরকার টিকে আছে,যখন ৭১ সালে মানুষ দিশেহারা হয়েছিল আওয়ামীলীগ রিফিউজি হয়ে ভারতে পালিয়ে গিয়েছে তখন বার আউলিয়ার চট্টগ্রাম থেকে মহান মুক্তিযুদ্ধের স্বাধীনতার ঘোষণা কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে দিয়েছিলেন,আবার দেশের ক্রান্তিকালীন সময়ে তিনি দেশের রাজনীতিতে উন্নয়নের ভিত্তিতে বাংলাদেশের ভিত্তি দাড়িয়ে আছে।বর্তমান সরকারের উন্নয়ন হচ্ছে ঋনের ফাঁদ।রাতদিন বিএনপির সমালোচনাকারীদের আজকের সমাবেশ দেখে যাওয়ার আহবান জানান তিনি।
বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগের মহাসমাবেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শাহজাহান বলেন,সমাবেশ দেখে মনে হয় জনসমুদ্র রুপ নিয়েছে।চট্টগ্রামের মানুষ প্রমাণ করেছে শেখ হাসিনার সরকার আর দেশবাসী চায়না,অবিলম্বে ক্ষমা চেয়ে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে নিঃশর্ত মুক্তি দিয়ে ক্ষমতা থেকে পদত্যাগ করার দাবী জানায়।
বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক চট্টগ্রাম সিটি মেয়র মীর মোহাম্মদ নাছির বলেন,সমাবেশের প্রথম দাবী বেগম জিয়াকে মুক্তি দেওয়া,তারেক রহমানকে স্বসম্মানে দেশে ফিরিয়ে আনা,আর যারা বলছেন বেগম জিয়াকে আবারও কারাগারে ফিরিয়ে নিবে তারা ১০ তারিখের আগে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাবে শ্রীলঙ্কার মন্ত্রীদের মত, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, একটা ডাকাত দল বাংলাদেশকে দখল করে আছে, আওয়ামীলীগ যখন স্বপ্ন দেখে দেশে তখন দুর্ভিক্ষ থাকে,বিএনপি দেশের মানুষের মুক্তির জন্য স্বপ্ন দেখে, ঢাকা উত্তর বিএনপির আহবায়ক সাবেক ঢাকসু ভিপি,বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান বলেন,লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাবেশে আমাদের দাবী ছিল, দাবী আদায়ের লক্ষ্য দেশব্যাপী আন্দোলনে আমাদের নেতাকর্মীদের নির্বিঘ্নে গুলি চালিয়ে বিভিন্ন জেলায় হত্যা করেছে।কারণ শেখ হাসিনা ভয় পেয়েছে,এই আন্দোলনে শেখ হাসিনার পতন হবে,বেগম জিয়া মুক্তি পাবে,তারেক রহমান বীরের বেশে অচিরেই ফিরে আসবে ইনশাআল্লাহ।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা দক্ষিণের আহবায়ক মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম বলেন বিএনপির শত শত নেতাকর্মী হত্যা করে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকতে পারবেনা বিদায় নিতে হবে,বেগম জিয়াকে কারাগারে বন্দি রেখে,তারেক রহমানকে দেশান্তরি করে। ১২ অক্টোবর চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাসেম বক্করের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নাল আবেদিন ফারুক, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক গোলাম আকবর খন্দকার,বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ভিপি জয়নাল,বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এসএম ফজলুল হক,বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন,চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম,বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী,শ্যামা ওবায়েদ সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক,বিএনপির মৎস্যজীবী বিষয়ক সম্পাদক লুৎফর রহমান কাজল,বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ভিপি হারুনুর রশিদ,বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মীর হেলাল,হুম্মাম কাদের,ইশরাক হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি সাবেক সভাপতি জাফরুল ইসলাম চৌধুরী,রফিকুল আলম মজনু-ঢাকা দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব,কৃষকদল সভাপতি শহিদুল ইসলাম বাবুল,স্বেচ্ছাসেবকদল সভাপতি এসএম গিলানী,যুবদল কেন্দ্রীয় সভাপতি সুলতান সালাহউদ্দীন টুকু,ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি কাজী রওনকুল হাসান শ্রাবণ প্রমুখ।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on pinterest
Pinterest
Share on reddit
Reddit

Discussion about this post

এই সম্পর্কীত আরও সংবাদ পড়ুন

আজকের সর্বশেষ

ফেসবুকে আমরা

সংবাদ আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১