রেজি তথ্য

আজ: শুক্রবার, ১২ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ২৮শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ ৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

খুলনায় জমে উঠেছে একুশে বইমেলা ২০২৩

শেখ মাহাবুব আলম, খুলনা :

( গণমাধ্যম গণতন্ত্র ও মানবাধিকার বিষয় নিয়ে “দহকালের ক্ষরণ”)

খুলনায় জমে উঠেছে একুশে বইমেলা দল বেধে তরুণ-তরুণীদের আড্ডা, বই নাড়াচাড়া, বই কেনায় জমে উঠে খুলনার একুশে বইমেলা। মহানগরীর বয়রা এলাকার বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থগার প্রাঙ্গণের মাসব্যাপী মেলায় শুক্রবার (১৭ফেব্রুয়ারি) বিকেলের চিত্র ছিল এমনই। ছুটির দিন হওয়ায় সরকারি চাকরিজীবীদের পদচারণাও ছিল চোখে পড়ার মতো। সন্ধ্যার আগ মুহূর্তে পাঠক-লেখক-দর্শনার্থীদের ছিল উপচেপড়া ভিড়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, খুলনা জেলা প্রশাসন আয়োজিত বইমেলা শুক্রবার ছুটির দিনে ছিল জমজমাট। সকাল থেকেই ক্রেতা-পাঠকের আগমনে মেলা প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে।কেউ কিনছেন বই, কেউ বা দেখছেন ঘুরে ঘুরে। নতুন বইয়ের সমারহে মেলার প্রায় সব স্টল ছিল ভরপুর। নতুন বইয়ের নানা রংয়ের অঙ্গসজ্জার আকর্ষণীয় প্রচ্ছদের সম্মিলন মেলায় দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। সব বয়সের মানুষ স্টলের সামনে দাঁড়িয়ে হাতে বই তুলে নিচ্ছেন। পরিবার নিয়ে মেলায় বই কিনতে এসে নানান পেশার দর্শনার্থীদের কে জিজ্ঞাসা করলে দৈনিক দেশবাংলা কে বলেন, ঢাকায় অমর একুশে বইমেলায় গিয়েছি আগে। সে তুলনায় খুলনায় একুশের বইমেলার আয়োজন অনেক ক্ষুদ্র, তাছাড়া নতুন বইয়ের সংগ্রহও অনেক কম। বইয়ের স্টল বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে নতুন প্রকাশিত বইয়ের আয়োজন থাকলে খুলনার মানুষেরা সমৃদ্ধ হতো। বিশেষত শিশুদের জন্য চমকপ্রদ ও শিক্ষণীয় বইয়ের আয়োজন থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।বইমেলার নন্দন বই ঘরের স্বত্তাধিকারী সুব্রত চৌধুরী বলেন, বইয়ের সঙ্গে মানুষের আত্মার সম্পর্ক। এবারের মেলায় গতবারের থেকে কলেবর বৃদ্ধি পেয়েছে। বইমেলায় স্থান তুলনামূলক অনেক কম হওয়ায় মেলায় আগতদের চলাচল করতে সমস্যা হয়। আরও বড় পরিসরে বইমেলা আয়োজনের দাবি জানান তিনি।বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগারের লাইব্রেরিয়ান ড. মো. আহসান উল্যাহ গণমাধ্যম কে বলেন, বইপ্রেমীদের আনাগোনায় মুখরিত হয়ে উঠছে প্রতিদিনই মেলা প্রাঙ্গণ। তবে ছুটির দিনে মেলায় এতো ভিড় হয় যে হাঁটার মতো জায়গা থাকে না। তিনি জানান, বই মেলায় বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থা, সাহিত্য সংস্থা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও লাইব্রেরিসহ ৮৪টি স্টল রয়েছে। বইমেলা ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন বিকেল চারটা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত চলছে। তবে ছুটির দিন বেলা ১১টা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত চলে।তিনি আরও জানান, প্রতিদিন বিকেলে প্রবন্ধ ও কবিতা পাঠ, আলোচনা, নতুন লেখকদের বইয়ের মোড়ক উম্মোচন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ইতোমধ্যে এ বই মেলায় শতাধিক বইয়ের মোড়ক উম্মোচন করা হয়েছে।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on pinterest
Pinterest
Share on reddit
Reddit

Discussion about this post

এই সম্পর্কীত আরও সংবাদ পড়ুন

আজকের সর্বশেষ

ফেসবুকে আমরা

সংবাদ আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১