রেজি তথ্য

আজ: বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ৯ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ ১২ই শাবান, ১৪৪৫ হিজরি

বাংলার জমিনে মাইজভান্ডারী ত্বরীকাই হল একমাত্র ত্বরীকা যার প্রতিষ্ঠাতা হলেন শাহ্সূফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভান্ডারী (ক.)-চসিক মেয়র

ডেক্স নিউজ

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্জ্ব এম রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, বাংলার জমিনে যত আওলিয়ায়ে কেরাম ও বুজুর্গানে-দ্বীন ইসলামের খেদমতে বিভিন্ন ত্বরীকার প্রচার প্রসারের উদ্দেশ্যে এসেছেন তাঁদের সবাই ছিলেন বিশেষত অবাঙ্গালী। তাঁদের বেশীরভাগই ছিলেন আরবের বিভিন্ন অঞ্চলের বিশেষ করে ইয়েমেনের। তাঁরা প্রকৃতপক্ষে রসুলে পাক আহমদে মোজতবা হযরত মোহাম্মদ

মোস্তফা (স.) কর্তৃক নির্দেশিত হয়েই এই উপমহাদেশে দ্বীনের খেদমতে এসেছিলেন। বাংলার জমিনে মাইজভান্ডারী ত্বরীকাই হল একমাত্র ত্বরীকা যার প্রতিষ্ঠাতা হলেন একজন বাঙ্গালী সূফী-সাধক। আর তিনি হলেন গাউসুল আজম হযরত মাওলানা শাহ্সূফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভান্ডারী (ক.)। বাংলার জমিনে মাইজভান্ডারী ত্বরীকাই হল একমাত্র ত্বরীকা যেটি বাংলা ভাষায় রচিত। মাইজভান্ডার দরবার শরীফের প্রধান দিবস বা মাইজভান্ডার ওরশ শরীফ বলতে কার্যত ১০মাঘ হযরত গাউসুল
আজম মাইজভান্ডারীর ওরশ শরীফকেই বুঝায়। তাঁর প্রবর্তিত মাইজভান্ডারী ত্বরীকায় সর্বজনীন, উন্মুক্ত ও অবারিত আহবানের কারণে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে বিশ্বের সকল শ্রেণীর মানুষের নিকট মাইজভান্ডারী দর্শন গ্রহণযোগ্যতা লাভ করতে সমর্থ হয়েছে। ইসলামী সুফীবাদের ধারাবাহিকতায়
বাংলার জমিনে উদ্ভুত একমাত্র ত্বরীকা হিসেবে মাইজভান্ডারী ত্বরীকা আজ আধুনিক বিজ্ঞান, কোরআন সুন্নাহ সম্মত ত্বরীকারূপে ইতোমধ্যে বিশ্বের সর্বত্র স্বীকৃতি লাভ করেছে। আজ সোমবার সকালে মাইজভান্ডার দরবার শরীফে আঞ্জুমানে
মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভান্ডারী কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। মাইজভান্ডার দরবার শরীফ সংগঠনের সভাপতি ও সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউসুল আজম মাইজভান্ডারী আলহাজ্জ্ব শাহ সুফী ডা. সৈয়দ দিদারুল হক মাইজভান্ডারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন প্রফেসর ড. কাজী মেজবাউল আলম মামুন।
শোকরানা বক্তব্য রাখেন আওলাদে গাউসুল আজম মাইজভান্ডারী শাহাজাদা সৈয়দ হোসাইন রাইফ নুরুল ইসলাম রুবাব মাইজভান্ডারী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হযরতুল আল্লামা ড. মুহাম্মদ সাইফুল আজম আল-আযহারী,
কাউন্সিল বক্তা শাহাজাদা ডা. সৈয়দ হোসাইন সাইফ নিহাদুল ইসলাম, বিশিষ্ট মাইজভান্ডারী গবেষক ও লেখক ড. সেলিম জাহাঙ্গীর। কাউন্সিলে অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন, হযরত মাওলানা সৈয়দ আহমদুল হক মাইজভান্ডারী। কাউন্সিলে উপস্থিত ছিলেন শানে গাউসুল আজম মাইজভান্ডারী ফোরামের যুগ্ম-সম্পাদক আলহাজ্জ্ব নঈমুল কুদ্দুস আকবরী, নানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব শফিউল আযম, মাওলানা জসীম উদ্দীন,
আকরাম হোসেন সবুজ ও এনামুল হক সেলিমসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সাংগঠনিক প্রতিবেদন পেশ করেন আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে
মাইজভান্ডারী কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের মহাসচিব আলহাজ্জ্ব সৈয়দ মাহমুদুল হক। কাউন্সিলে ১৪২৮-১৪৩১ বাংলা মেয়াদে আলহাজ্জ্ব শাহ সুফী ডা. সৈয়দ দিদারুল হক মাইজভান্ডারী (ম.) কে সভাপতি এবং আলহাজ্জ্ব সৈয়দ মাহমুদুল হককে মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভান্ডারী কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ ঘোষনা করা হয়। কাউন্সিল শেষে অধক্ষ দারুত্তালীম আলহাজ্জ্ব মাওলানা নুরুল আবছার শরীফ সাহেবের ঈমামতিতে যোহরের
নামাজ আদায় শেষে মিলাদ ও মোনাজাতের মাধ্যমে কাউন্সিলের প্রথম অধিবেশনের সমাপ্ত হয়। কাউন্সিল শেষে মেয়র মহোদয় লেওয়া-ই্আহমদী হেফজখানা ও এতিমখানা উদ্বোধন করেন।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on pinterest
Pinterest
Share on reddit
Reddit

Discussion about this post

এই সম্পর্কীত আরও সংবাদ পড়ুন

আজকের সর্বশেষ

ফেসবুকে আমরা

সংবাদ আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯