রেজি তথ্য

আজ: মঙ্গলবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ ১০ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

বায়েজিদ লিংক রোডে বর্ষায় পাহাড় ধ্বসের শঙ্কা

এম আর আমিন :

চট্টগ্রাম বায়েজিদ-ফৌজদারহাট লিংক রোড নির্মাণ করেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। এই সড়ক ঘিরে আনেক আপত্তি রয়েছে কখনো খাড়া পাহাড়গুলো সড়কে ধ্বসে পড়ছে আবার এসব কারণে কখনো যান চলাচল বন্ধ রাখতে হয়েছে। এই সড়কটি ৩২০ কোটি টাকা খরচে সড়কটি নির্মাণ করা হলো সেই মহাসড়কের সংযুক্তিতেও চরম অঘটন ঘটছে। মূলত নকশা ও পরিকল্পনা ঘাটতির কারণেই এমনটি হচ্ছে বলে মত ট্রাফিক বিভাগ ও সড়ক বিশেষজ্ঞদের। শহরের সড়কগুলোকে পাশ কাটিয়ে সরাসরি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সঙ্গে যুক্ত করতেই চার এ সড়কটি নির্মাণ করা হয়। পরিবেশ-প্রতিবেশের ক্ষতি করে ১৬টি পাহাড় কেটে জরিমানা গুণেও কাঙ্ক্ষিত সুফল আনতে পারছে না। সিডিএ সৃত্রে জানা যায় সম্বলিত প্রতিবেদন দিলেও তাকে অসম্পূর্ণ মন্তব্য করে কর্ণপাতই করছে না পরিবেশ অধিদপ্তর। নগরের পণ্যবাহী যান চলাচলের চাপ কমানোর স্বপ্ন দেখিয়ে পরিবেশ-প্রতিবেশের ক্ষতি করে ৩২০ কোটি টাকা খরচে যে লিংক রোড নির্মাণ করলো সিডিএ। এদিকে বায়েজিদ-ফৌজদারহাট লিংক রোডকে কেন্দ্র করে নতুন সৃষ্ট জটিলতায়। পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলা জটিলতায় সড়কটির কাজ শেষ করতে না পারায় আগের সমস্যাগুলোর সঙ্গে এখন নতুন করে প্রশ্ন উঠছে কর্ণফুলী টানেল ব্যবহারের সুফল নিয়েও।এদিকে ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ধ্বস চরম ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে এসড়কটিকে। পাশাপাশি সড়কে নির্মিত ৬টি ব্রিজের নীচ থেকে ভারী বৃষ্টিতে মাটি সরে যাওয়ার কারণে সেগুলোও হয়ে উঠে
ঝুঁকিপূর্ণ। গেল বছরের আগস্টে ৫ নম্বর ব্রিজের নীচ থেকে মাটি সরে গিয়ে প্রায় ১ ফুট দেবে গিয়েছিল। দ্রুত সময়ের মধ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর ও সিডিএর ঝামেলা সমাধান না হইলে কয়েক হাজার কোটি টাকা খরচ করে নির্মাণ করা টানেল, কখনই সফল হবে না। সিডিএ সংশ্লিষ্টরা জানান চট্টগ্রামের দক্ষিণাঞ্চলের যানবাহনগুলোর বড় একটি অংশ বায়েজিদ-ফৌজদারহাট লিংক রোড হয়ে ঢাকায় যাতায়াত শুরু করবে। কিন্তু পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলা জটিলতায় বাকি থাকা কাজ করা যাচ্ছে না।এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিডিএর প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলার কারণে বায়েজিদ লিংক রোডে কাজ শেষ করতে পারছি না আমরা শিগগিরই কাজ করার অনুমতি না পেলে সামনের বর্ষায়ও পাহাড় ধ্বসের সম্ভাবনা আছে। এ পরিস্থিতিতে সড়কটি ফের বন্ধ করে দিতে হবে। কিন্তু আগামী ডিসেম্বরে কর্ণফুলী টানেল চালু হলে এ সড়কে চাপ বাড়বে। সেটা নিয়ে আমরা চিন্তিত।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on pinterest
Pinterest
Share on reddit
Reddit

Discussion about this post

এই সম্পর্কীত আরও সংবাদ পড়ুন

আজকের সর্বশেষ

ফেসবুকে আমরা

সংবাদ আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১