রেজি তথ্য

আজ: বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ৮ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ ১১ই শাবান, ১৪৪৫ হিজরি

“নদীরও জীবন আছে” নদী দখল মুক্ত করতে হবে – রিভার এ্যাকশন গ্রুপ

ঢাকা ব্যুরো:

নদী মাতৃক বাংলাদেশে নদীকে দখল দূষণ এর হাত থেকে সুরক্ষিত রাখতে ‘নদীরও জীবন আছে’ স্লোগানে গাজীপুরের কালীগঞ্জের শীতলক্ষ্যায় রিভার এ্যাকশন গ্রুপ সভার আয়োজন করা হয়।

গত রোববার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল ৯:৩০ ঘটিকায় একটি লঞ্চ শীতলক্ষ্যা নদীর কাঞ্চন এলাকার শিমুলিয়া ঘাট থেকে যাত্রা শুরু করে। দুপুরে শীতলক্ষ্যা নদীর কালীগঞ্জ এলাকায় যাত্রাবিরতি শেষে বিকেল ৪:৩০ ঘটিকায় পুনরায় শিমুলিয়া ঘাটে ফিরে আসে।
বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা), বাংলাদেশ রিভার ফাউন্ডেশন ও রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টারের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বেলার প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এতে বক্তব্য রাখেন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মজিবুর রহমান হাওলাদার, চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মুঞ্জুরুল কিবরিয়া, রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এজাজ, ওয়াটার কিপার্স এলায়েন্স বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়ক শরীফ জামিল, বাংলাদেশ রিভার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মনির হোসেন, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) যুগ্ম সম্পাদক মিহির বিশ্বাস, নোঙ্গর ট্রাস্টের চেয়ারম্যান শামস সুমন, পরিবেশ ও নদী রক্ষা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এইচ এম সুমন, পরিবেশ রক্ষা উন্নয়ন সোসাইটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসাইন, বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সেক্রেটারি ইসলাম মাহমুদ, শীতলক্ষ্যা নদী রক্ষা কমিটির সভাপতি আব্দুর রহমান আরমান, স্ট্যামফোরড ইউনিভার্সিটির পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর কামরুজ্জামান মজুমদার ও সেক্রেটারি রফিক সরকার, রিভার বাংলার সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ, সুরমা ওয়াটার কিপার্স সমন্বয়ক আব্দুল করিম কিম, খোয়ায় ওয়াটার কিপার্স সমন্বয়ক তফাজ্জল সোহেলসহ বাংলাদেশের জাতীয় পর্যায়ের নদী, পরিবেশ ও পানি বিষয়ক সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ।
এসময় নদীর অধিকার নিয়ে কাজ করে এমন ২০টি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের ফাঁকে ফাঁকে গানছবি ফোক ব্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা ও ভোকাল কবি মোস্তফা খান এবং তার দলের শিল্পীরা নদীর দখল-দূষণ ও নদীর কান্না নিয়ে সংগীত পরিবেশন করেন।
গ্রুপ মিটিং-এ আমাদের নদীগুলো সম্পর্কে বিশদভাবে জানা, নদী আন্দোলনের ম্যাপিং, নদী আন্দোলনের আইনগত চাহিদা নিরুপণ করা, নদী আন্দোলনে এলাকাবাসী, জনগণ, প্রশাসন ও বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ত করার কৌশল সর্ম্পকে বিশদভাবে আলোচনা করা হয়। এছাড়া ভিপ কার্ডে নদীর অধিকার নিয়ে সবাই যার যার মতামত লিখে দেন। এছাড়াও দলীয় কাজ হিসেবে নদীর ম্যাপিং (ঢাকা বিভাগের সুস্থ প্রবাহের ও সংকটাপন্ন নদী), নদী আন্দোলনসমূহের ম্যাপিং, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন কর্তৃক প্রকাশিত তালিকায় ঢাকা বিভাগের সব নদীর নাম আছে কিনা, নদীসমূহের সমস্যা চিহ্নিতকরণ, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের ভূমিকা (বর্তমান ও সম্ভাব্য) এবং ঢাকা বিভাগের নদীসমূহ রক্ষায় করণীয় ও আইনি চাহিদা (নদী অধিকার কর্মীদের সুরক্ষায় করনীয়) সম্পর্কে অবগত করা হয়।
পরিশেষে একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিকের ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে বেলা’র পক্ষ থেকে কাপড়ের ব্যাগ, টিশার্ট এবং একটি করে ক্যাপ দেওয়া হয় এবং বেলা’র প্রধান নির্বাহী সবাইকে অনুরোধ করেন যেনো সবাই যে যার জায়গা থেকে একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিকের ব্যবহার কমিয়ে বিকল্প কোন কিছু যেনো ব্যবহার শুরু করে।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on pinterest
Pinterest
Share on reddit
Reddit

Discussion about this post

এই সম্পর্কীত আরও সংবাদ পড়ুন

আজকের সর্বশেষ

ফেসবুকে আমরা

সংবাদ আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯