রেজি তথ্য

আজ: বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ৯ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ ১২ই শাবান, ১৪৪৫ হিজরি

মিরসরাইয়ে ফুলকপি চাষে লাভবান কৃষকেরা

এ এইচ সেলিম, মিরসরাই :

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ফুলকপি চাষে লাভবান হচ্ছেন কৃষকেরা। এতে দিন দিন এ উপজেলায় কপি চাষ বাড়ছে। ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকেরাও খুশি। পাইকাররা জমি থেকে কপি কিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার উপজেলায় ১২০ হেক্টর জমিতে ফুলকপি চাষ হয়েছে। উপজেলার দুর্গাপুর, মিরসরাই সদর, জোরারগঞ্জ, খৈয়াছড়া ও হাইতকান্দি ইউনিয়নে বেশি চাষ হয়েছে।

মিরসরাই পৌরসভার নোয়াপাড়ার সাইদুল ইসলাম রুবেল ফুলকপি চাষ করে লাভবান হয়েছেন। তার দেখাদেখি আশপাশের অনেকে ফুলকপি চাষে আগ্রহী হয়েছেন। এবারও তিনি ৬০ শতক জমিতে চাষ করছেন। কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় ভাগ্যের চাকা ঘুরতে সময় লাগেনি তার।

জানা গেছে, এখানকার উৎপাদিত ফুলকপি উপজেলার বড়দারোগারহাট, বড়তাকিয়া, আবুতোরাব, মিঠাছড়া, মিরসরাই পৌর সদর বারইয়ারহাটসহ বিভিন্ন বাজারে নিয়ে বিক্রি করেন কৃষকেরা। আবার অনেক পাইকার জমি থেকে কপি কিনে বিভিন্ন শহরে নিয়ে যান।

ফুলকপি চাষি সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘আমি পেশায় একজন কৃষক। গত ৫ বছর ধরে ফুলকপি চাষ করছি। ফলন ও দাম ভালো হওয়ায় আমার জীবনের মোড় ঘুরে গেছে। প্রথম বছরে কম চারা রোপণ করেই ভালো লাভবান হই। পরের বছরে ৩০ শতক জমিতে চাষ করি। তাতেও লাভ হয়। এরপর থেকে অল্প অল্প করে জমি বাড়িয়ে গত বছর অক্টোবর মাসের শেষদিকে ৬০ শতক জমিতে চারা রোপণ করি। প্রতিদিন নিজেই পরিচর্যা করি। নিজে না পারলে দিনমজুর রাখি।’

তিনি বলেন, ‘চারা রোপণের ২ থেকে আড়াই মাসের মধ্যে ফুলকপি বিক্রির উপযোগী হয়। বিক্রির সময় প্রতি কেজির দাম পাই ৪০-৫০ টাকা। আমার খরচ হয়েছে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে বিক্রি হবে প্রায় ৪ লাখ টাকা।

আমবাড়িয়ার কৃষক বিপ্লব সিংহ জানান, তিনি এবার ৭০ শতক জমিতে ফুলকপি চাষ করেছেন। খরচ হয়েছে ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। কিছু জমিতে উৎপাদিত কপি বিক্রি করেছেন। আরও প্রায় ১ মাস বিক্রি করতে পারবেন। এখন পর্যন্ত ৮০ হাজার টাকার কপি বিক্রি করেছেন। সব মিলিয়ে দাম যদি ভালো পান, তাহলে সাড়ে ৪ লাখ টাকা বিক্রি করতে পারবেন। কপি জমি থেকে তুলে বাজারে নেওয়ার প্রয়োজন হয় না। পাইকাররা জমি থেকে কিনে নেন। শুধু কপি নয়, তিনি টমেটো, শিম, কাঁচামরিচও চাষ করেছেন।

উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা কাজী নুরুল আলম বলেন, ‘কম খরচে বেশি লাভজনক সবজির দৃষ্টান্ত হচ্ছে ফুলকপি। শীত মৌসুমে এলাকাভেদে ফুলকপি ২ থেকে ৩ বার চাষ করা যায়। দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকেরাও আগ্রহী হচ্ছেন। আমরা অফিস থেকে কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতা করে যাচ্ছি।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on pinterest
Pinterest
Share on reddit
Reddit

Discussion about this post

এই সম্পর্কীত আরও সংবাদ পড়ুন

আজকের সর্বশেষ

ফেসবুকে আমরা

সংবাদ আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯